মেহেরপুরের গাংনীতে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত ডাকাতের ঠিকানা মিলেছে। আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার

আমিরুল ইসলাম অল্ডাম মেহেরপুর প্রতিনিধি ঃ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হেমায়েতপুর গ্রামের মাঠপাড়া এলাকায় পুলিশের সাথে ডাকাত দলের বন্দুক যুদ্ধে নিহত ডাকাতের নাম ঠিকানা পাওয়া গেছে। সে গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের মৃত ওসমান মন্ডলের ছেলে জমসেদ আলী (৫২)।এসময় গোলাগুলিতে আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন কনস্টেবল খাইরুল ইসলাম (পুলিশ নং ৩৭৭) কনস্টেবল আব্দুর রাজ্জাক ( পুলিশ নং ১৩০)। আহত পুলিশ সদস্যরা গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থানায় ফিরেছেন।ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরী এলজি পিস্তল, ৪ টি হাতবোমা ও দুইটি দেশীয় তৈরী ধারালো হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে।আজ বুধবার ভোর রাত ২ টা ৪৫ মিনিটের সময় হেমায়েতপুর-আমতৈল রাস্তার পাশে জনৈক আমানুল্লাহর কলাক্ষেতের পাশে এ বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে।গাংনী থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হরেন্দ্রনাথ সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, একদল ডাকাত আমানুল্লাহর কলাক্ষেতের পাশে ও একটি ইটভাটার ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্ত্বিতে সেখানে পুলিশের একটি টীম অবস্থান নেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল পুলিশের উপর গুলি বর্ষণ শুরু করে। পুলিশও পাল্টা গুলি শুরু করে। এসময় পুলিশ ১০ রাউন্ড সর্টগানের ও ৪ রাউন্ড চাইনা বন্দুকের গুলি ছুঁড়ে। পুলিশ ও ডাকাতদের গোলাগুলির এক পর্যায়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এসময় ডাকাত সর্দ্দার জমসেদ (৪৮)কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।জমসেদ ডাকাতের বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতী, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজীর একাধীক মামলা রয়েছে।বন্দুক যুদ্ধের সময় এসআই মাহাতাব আলী, এসআই আমিনুল ইসলাম,এসআই বখতিয়ার রহমান, এসআই মামুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন। গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর আবাসিক মেডিকেল অফিসার এমকে রেজা জানান, নিহতের পেটে ও ডান উরুর পাশে গুলিবিদ্ধ থাকায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরনে মারা গেছেন তিনি।