বিনিয়োগ বাড়াতে বাংকের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে আনতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে বিনিয়োগের খরা কাটাতে ব্যাংকঋণের সুদহার এক অংকে নামিয়ে আনতে জোর দিয়েছেন। গত মাসে দলীয় এক অনুষ্ঠানে কথা বলার মাসখানেকের মাথায় গতকাল শুক্রবার গণভবনে ব্যাংকারদের সামনে বিষয়টি নিয়ে আবারও কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংকের সুদের হার কমাতে হবে। সিঙ্গেল ডিজিটে আনতে হবে। না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়। সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বার বার বলার পরও ব্যাংকগুলোতে ঋণের সুদের হার কমছে না। বরং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণের নতুন সুদ হার কার্যকর করে দুই থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদহার বাড়িয়ে দিয়েছে বলে খবর বের হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সুদের হার কমানোর কোনো নির্দেশনা এখনো বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে আসেনি বলে ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। তবে এর মধ্যে ব্যাংকারদের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী ও গভর্নরসহ অন্যান্য নীতিনির্ধারকদের বৈঠকে সুদের হার কমানোর বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করলেও ব্যাংকগুলো এখন তা মানছে না। বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলনায় নিহতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সহায়তা দেন প্রধানমন্ত্রী। একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্সের (বিএবি) পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১৬৩ কোটি হস্তান্তরের পর তাদের তাদের উদ্দেশ্যে সুদহার কমানোর কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের দুঃশাসন-দুর্নীতির করালগ্রাসে দেশে এখন নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে: রিজভী

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান ভোটারবিহীন সরকারের দুঃশাসন, লুটপাট ও দুর্নীতির করালগ্রাসে দেশে এখন নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে। নিত্যপণ্যসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ না থাকায় নতুন কর্মসংস্থান নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। আজ শুক্রবার সকালে দলটির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, গত বছরের বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষকের ফসলহানির পর সরকারের সব দিকে ব্যর্থতার কারণে চালের দামসহ সব খাদ্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। মানুষ এখন ঠিকভাবে দুবেলা দুমুঠো ভাতও পাচ্ছে না। রুহুল কবির রিজভী বলেন, কুড়িগ্রামের রাজীবপুরে দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষ সরকারঘোষিত ১০ টাকা কেজির চাল নিতে গেলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়। ১০ টাকা কেজির চাল কালোবাজারে বিক্রির ঘটনায় নিজেদের ভাগাভাগি নিয়ে দফায় দফায় গুলিবর্ষণ, আক্রমণ ও সংঘর্ষ চলে। এদিকে বিক্ষুব্ধ জনগণ, সরকারি দলের সংগঠনগুলোর মনোনীত ডিলারদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করলে, এই ক্ষুধার্ত মানুষগুলোর ওপর গুলি চালায় তারা। বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই দেশে দুর্ভিক্ষ নামে। ’৭৪-এর দুর্ভিক্ষের কথা মানুষ এখনো ভুলে যায়নি। কুড়িগ্রামের ঘটনা ’৭৪-এর দুর্ভিক্ষেরই আলামত। বিশ্বের কোথাও ক্ষুধার্ত মানুষকে নিয়ে এত নির্মমতা নজিরবিহীন। এরা এত নিষ্ঠুর যে ক্ষুধার্ত মানুষকে গুলি করতেও দ্বিধা করে না। জনগণ ভোট দিলে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবেÑপ্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, আপনি কি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এখন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন? আপনি তো নিজের ভোটও নিজেকে দেননি। দেশ পরিচালনা করতে আপনাদের তো জনগণের ভোটের প্রয়োজন হয় না। আপনাদের মুখে জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার কথা রসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। বিএনপির এই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার চায় ভোট ছাড়া আবারও কীভাবে ক্ষমতা ধরে রাখা যায়। সেই পথের নকশা এঁটেই খালেদা জিয়াকে জাল নথির মিথ্যা সাজানো মামলায় কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এবার জনগণের ভোটাধিকার জনগণ প্রয়োগ করবেই। যেকোনো ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন কখনো বৃথা যায় না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনের কাছে সরকার যেভাবে মাথানত করেছে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ন্যায্য আন্দোলনও বৃথা যাবে না। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই সেই আন্দোলনে বিজয় অর্জিত হবেই। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোনো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না দাবি করে এ সময় রুহুল কবির রিজভী বলেন, খালেদা জিয়াবিহীন জাতীয় নির্বাচন আর এ দেশে অনুষ্ঠিত হবে না, জনগণ তা হতে দেবে না। আর বেশি সময় নেই, আপনাদের সুস্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, এ মুহূর্তে সর্বপ্রথম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর তা না হলে জনগণ আর অপেক্ষা করবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং শেখ হাসিনার পতন একসঙ্গে সংঘটিত হবে। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, দলের যুগ্ম মহাসচিব মেয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু।

সেপ্টেম্বরে চালু হবে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউট: নাসিম

নিউজ ডেস্ক: ৫০০ শয্যায় সজ্জিত উন্নতমানের বিশ্বের বৃহত্তম বার্ন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশে। ‘শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’ নামে এই শিক্ষা ও সেবা প্রতিষ্ঠানটি এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। আজ শুক্রবার রাজধানীর চানখারপুলে অবস্থিত নির্মাণাধীন ইনস্টিটিউটটির বর্তমান কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাঁতি যে কোনো প্রকার অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। তার প্রমাণ আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়া, বিশ্বের বুকে রেকর্ড করার কার্যক্রমসহ বিশ্বের মধ্যে বৃহত্তম চিকিৎসার জনিত সেবা কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ সবই তার উদাহরণ। এই বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জন্য নার্স প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইনস্টিটিউটটির ১৪ তলার কাজ সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এরপর আর একতলার কাজ সম্পন্ন হলেই অবকাঠামো ভিত্তিক কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর হাসপাতালের যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। ডাক্তাররাও প্রস্তুত রয়েছে। যেহেতু এটি একটি ইনস্টিটিউট সেহেতু এখানে ডাক্তার ও নার্সদের দরকার হবে। তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়। সেনাবাহিনী দ্রুততা ও দক্ষতার সঙ্গে এই নির্মাণ কাজটি সম্পন্ন করছে। এখানে কর্মরত সবাই শুধু মৌখিকভাবে নয় কাগজে-কলমে ও বাস্তবে সেপ্টেম্বরের আগে কাজ শেষ করার নিশ্চিত করেছেন। চানখারপুলের এই জায়গাটিতে অবৈধ স্থাপনা দিয়ে পরিপূর্ণ ছিলো। জায়গাগুলোকে উদ্ধার করে এই বৃহৎ কাজে জাতির কল্যানার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নেপালের বিমান দুর্ঘটনা ছাড়াও দেশের মানুষের চিকিৎসার চাহিদা অনুসারে আমরা অনুধাবন করতে পেরেছি ইনস্টিটিউট তৈরি করা কতটা জরুরি। এ ছাড়া দগ্ধ রোগীদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী একটু বেশি সহানুভূতিশীল। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এ কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাসিম বলেন, বিএনপি সবসময় রাজনীতিতে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। যে কারণেই তারা বলছে প্রধানমন্ত্রীর কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের তথা সরকারের পরাজয় ঘটেছে। কিন্তু আমি বলবো এর মাধ্যমে আমরা জয়ী হয়েছি। কেননা আমরা সর্বদা জনগণের পাশেই থাকি। নির্মাণাধীন বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটটি ঘুরে দেখে দ্রুত কার্যক্রমের প্রশংসা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এসময় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডা. সামন্ত লাল সেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, নির্মাণাধীন ভবনের প্রকল্প পরিচালক লেফটেনেন্ট কর্নেল শাকিল আহমেদসহ ঢামেক ও প্রকল্পটির আরও অন্যান্য কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে কাজ করছি। নার্সদের ট্রেনিং সিঙ্গাপুরসহ আরও অন্যান্য দেশে চলছে। প্রয়োজনীয় মেশিনপত্র কেনার কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। সেপ্টেম্বর মাসের আগেই কাজ শেষ হবে। ১৫ তলার কাজ শেষ করে বিল্ডিংয়ের অভ্যন্তরীণ কাজ ধরা হবে। তবে ঢামেকের মূল ভবনের সঙ্গে রাস্তার ওপর দিয়ে একটি ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি। এটার কাজ শুরু না হলেও দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলেও জানান ডা. সামন্ত লাল সেন।

রুহিয়ায় ফ্রেন্সী সম্রাট ‘উজ্জল’ গ্রেপ্তার

মো: দুলাল হক রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: রুহিয়া থানার এস আই তসিরউদ্দীনের নেত্রিত্বে ফ্রেন্সীডিল ব্যবসায়ী উজ্জল গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে ১০ এপ্রিল রাত ৮ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই তসিরের নেত্রিত্বে একদল পুলিশ ফোর্সসহ ফুলকলি সরকারী প্রার্থমিক বিদ্যালয় এলাকায় ওৎ পেতে থাকে। ঐ রাস্তা দিয়ে ফ্রেন্সীডিল নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাকে হাতে নাতে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পুলিশ তল্লাশি করে তার কাছে থাকা ৪ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্রেন্সিডিল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আটক কৃত যুবক রুহিয়া ঘনিমহেষপুর গ্রামের মিশন পাড়া মহল্লার পাউলুস দাস এর ২য় পুত্র উজ্জল দাস (৩০)। গ্রেপ্তারকৃত উজ্জলের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে রুহিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৩, তারিখ ১০/০৪/১৮ ইং। পরদিন সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার রায় সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন রুহিয়া থানা পুলিশ মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। মাদক বিষয়ে কাউকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

বিএনপির মহাসচিবের মায়ের জানাযা অনুষ্ঠিত, মানুষের ঢল

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের প্রয়াত মন্ত্রী মির্জা রুহুল আমিনের সহধর্মিণী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মা ও জেলা মহিলা সংস্থার সাবেক চেয়ারম্যান ফাতিমা আমিনের (৮৮) জানাযার নামায অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৫টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড়মাঠে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব খলিলুর রহমান মরহুমের জানাযার নামায আদায় করেন।

এসময় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড়মাঠে দলের নেতাকর্মী, জেলার প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চল থেকে বিএনপির দলীয় লোকজন সহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও জেলার সাধারণ মানুষের ঢল নামে।

জানাযার নামাজে মরহুমের বড় ছেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মেঝো ছেলে মির্জা ইকবাল, ছোট ছেলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিন, জামাতা সেনাবাহিনীর সাবেক জেনারেল ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. অব. মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

পরে জানাযার নামায শেষে ঠাকুরগাঁও পুরাতন গোরস্থানে প্রয়াত মির্জা রুহুল আমিনের কবরের পাশে সহধর্মিণী ফাতিমা আমিনকে শায়িত করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় মহরুম ফাতিমা রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ।

শুক্রবার সকালে একটি অ্যাম্বুলেন্সে মহরুমের নিজ বাস ভবনে মরহুমের মরদেহ ঠাকুরগাঁওয়ে পৌছায়। এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলামের মাকে এক পলক দেখতে দলীয় নেতাকর্মী ও সর্ব সাধারন মানুষের ঢল নামে।

উল্লখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে মরহুম ফাতিমা আমিনকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। ফুসফুস, কিডনিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ফাতিমা আমিনের স্বামী প্রয়াত মির্জা রুহুল আমিন আশির দশকে এইচ এম এরশাদ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন।

মির্জা ফখরুলের মা মারা গেছেন

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মা ফাতেমা আমিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুর ১২ টায় বারডেম হাসপাতালে মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন।মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ ইউনুছ মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি তিন ছেলে চার মেয়ে রেখে গেছেন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯০ বছর।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখুন : ওবায়দুল কাদের

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ধরার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ বুধবার দুপুরে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপ-কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটু ধৈর্য ধরুন। কোনও গুজবে কান দেবেন না। বিভক্তির রাজনীতির শিকার হবেন না। কারণ, অনেকেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।’
তিনি বলেন, অশুভ রাজনীতির ছায়া যেন বিস্তার না করতে পারে। যদি আন্দোলনকারীদের নেতৃত্ব তাদের হাতে চলে যায় তাহলে দেশে ক্ষতি হবে, তারাও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। শেখ হাসিনার সরকার ভুল করলেও, ভুল সংশোধনের সৎ সাহস রাখে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, কোটা ব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। আমি সেই বার্তা তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তাদের দাবিগুলো ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। তারা আমাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে। আন্দোলন স্থগিত করেছিল। এরপর কী হলো? কেন, আবারও কী কারণে তারা আন্দোলন করছেন তা আমার জানা নেই।
দলীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন স্পর্শকাতর সময় অতিক্রম করছে সরকার। এ সময়ে দায়িত্বশীল নেতাদের দায়িত্বশীল কথা বলা উচিত। দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বললে তা উস্কানিমূলক হয়। তাই দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলবেন না।
এর আগে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান মো. রশিদুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় সদস্য সচিব মৃণাল কান্তি দাস এমপি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও এনামুল হক শামীম, সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়–য়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বাসস